গণমানুষের হৃদয়ে সমুজ্জ্বল, ড: আ ন ম এহছানুল হক মিলন

ড: আ ন ম এহছানুল হক মিলন শুধু একটি নাম নয়, একটি চেতনা, একটি প্রেরণা। এক খন্ড জীবন্ত সোনালী ইতিহাস। একজন সময়ের সেরা আদর্শ ব্যক্তিত্ব।জাতীয় রাজনীতির এক উজ্জল ধ্রুবতারা। সমাজ, জাতি এবং দেশের আদর্শ প্রেমিক। আলোকিত ব্যক্তি, সমাজ, জাতি এবং দেশ গড়ার কারিগর। মজলুম, অসহায়, গরীব, দু:খি, মেহনতি মানুষের দিশারী। মানব সেবায় নিবেদিত প্রাণ একজন সত্যিকার সমাজ সেবক। অত্যন্ত পরিশ্রমি, কর্মঠ, ধর্য্যশীল, ভদ্র, নম্র, বিনয়ী, মিশুক, হিংসা বিদ্বেষ এবং অহংকার মুক্ত সাদা মনের স্বচ্চ একজন সুহৃদ ব্যক্তি। এ ছাড়া আরো বহু গুণে গুনান্বিত, তিনি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত একজন দিকপাল মানব। আদর্শ রাজনীতির এক পথিকৃত ব্যক্তি। আদর্শ সমাজ জাতি এবং দেশ নির্মাণে অঙ্গিকারবদ্ধ।

আমার মত একজন ক্ষুদ্র জ্ঞানের সাধারণ মানুষের পক্ষে এমন এক সু-মহান ব্যক্তিকে নিয়ে লেখার কোন যোগ্যতা বা অভিজ্ঞতা নেই, তবুও মনের আবেগে বিবেকের তাড়নায়, শ্রদ্ধা এবং ভালবাসার টানে কিছু লিখতে ইচ্ছে হল। কারণ মিলন ভাইয়ের সাথে জড়িয়ে আছে ফেলে আসা দিনের অনেক স্মৃতি, অনেক রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীও আন্দোলন সংগ্রামের অনেক কীর্তি। মিলন ভাইকে আমি দেখেছি খুব কাছ থেকে, থেকেছি দীর্ঘদিন তারই সহচর্যে। আমি চিনি খুব ভাল করেই। গণমানুষের মন জয় করে জননন্দিত এবং জনপ্রিয় নেতা হবার জন্যে যত রকম যোগ্যতা অভিজ্ঞতা এবং গুণাবলীর প্রয়োজন সব গুলো যোগ্যতা অভিজ্ঞতা এবং গুণাবলী বিদ্যমান রয়েছে তাঁহার মাঝে। আর তাই রাজনৈতিক অঙ্গনে অল্প সময়ে যারা জননন্দিত, জনপ্রিয় হয়েছেন, রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান গড়েছেন তাদের মাঝে তিনি অন্যতম। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে রাজনীতিতে শেকড় থেকে শিখরে অরোহন করে চমক সৃষ্টি করেন মিলন ভাই।

এই মুহুর্তে মনে পরে তিনি যখন ২০০১ থেকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে পুরো বাংলাদেশ চষে বেড়াচ্ছিলো কিভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বের মডেল তৈরি করা যায় এবং কিভাব শিক্ষা অঙ্গন থেকে নকলকে চিরতরে নির্মূল করা যায়, এবং তিনি তা বাস্তবে করে দেখিয়েছেন। ১৯৯৬ সালে প্রথম বারের মত নির্বাচনে এসেই মিলন ভাই নিজের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, এবং আন্তরীক ব্যবহারের গুণে সাধারণ মানুষের মনে দাগ কাটতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং রাজনীতির ময়দানে নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছিলেন । ভোট যোদ্ধে তখন নবাগত হলেও পেয়েছিলেন যথেস্ট পরিচিতি এবং পর্যাপ্ত ভোট।
সেই নির্বাচনে তৎকালীন আওয়ামিলীগের বর্ষিয়ান নেতা মেজবাহ উদ্দিন খান সাহেবকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিল তিনি। সেই নির্বাচন থেকেই তাঁহার আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শুরু হয় তাঁহার রাজনৈতিক উত্থান। রাজনীতির ময়দানে মিলন ভাই এগিয়ে যান তর তর করে সামনের পানে। নির্বাচনের আগে এবং পরেই চষে বেড়ান নির্বাচনি এলাকার গ্রামে গ্রামে, মানুষের দ্বারে দ্বারে। কোশল বিনিময় করেন সকলের সাথে। শুরু হয় প্রতিটি এলাকায় তাঁহার বিরামহীন বিচরণ। রাজনৈতিক, সামাজিক অনুষ্ঠান, অন্যায়ের বিরোদ্ধে প্রতিবাদ এবং মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন সংগ্রাম সহ প্রায় সব গুলোতে মিলন ভাই উপস্থিতি হয়ে নিজের মেধা, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, বিচক্ষনতা এবং ব্যবহার দিয়ে জয় করতে থাকেন মানুষের হৃদয়। সময়ের পরিক্রমায় হয়ে উঠেন মানুষের মধ্যমনি। সময়ের পালাবদলে বদলাতে থাকে রাজনৈতিক পরিবেশ। পরিবেশের সাথে মানিয়ে রাজনীতির ময়দানের মিলন ভাই রাখতে থাকেন অগ্রনী ভুমিকা। দেখতে দেখতে ঘনিয়ে আসে ২০০১ নির্বাচন। দেশের পালে লাগে নির্বাচনি হাওয়া। শুরু হয় নতুন করে, নতুন ভাবে পথচলা। শুরু হয় ভোট যুদ্ধ তখন মিলন ভাই হয়ে যান চাঁদপুর ১ কচুয়া উপজেলা গণমানুষের প্রিয় নেতা। গণজোয়ার সৃস্টি হয় মিলন ভাইয়ের পক্ষে, চার দলীয় ঐক্য জোটের পক্ষে, ধানের শীষের পক্ষে। আওয়ামিলীগের সকল নেতা কর্মির চোখের ঘুম হারাম করে মিলন ভাই নির্বাচন প্রচারনায় এগিয়। চারিদিকে মিলন ভাইয়ের জয় জয়কার রব। ঘরে বাহিরে, মাঠে ঘাটে, পথে প্রান্থরে, হাট বাজারে, মিটিং মিছিল, কিংবা চায়ের টেবিলে সর্বত্র মিলন ভাইয়ের বিজয় ধ্বনি। আওয়ামিলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের ভীত নাড়িয়ে, সব রাজনৈতিক যোদ্ধাদের অবাক করে, সেই নির্বাচনে মিলন ভাই ছিলেন “টপ অব দ্যা পারসন”। সেই নির্বাচনে চমক সৃস্টি করেছিলেন তিনি । অতি অল্প সময়ে স্বাধীনতার যুদ্ধের পরে একমাত্র মিলন ভাই বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দিয়েছিলেন। দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতি মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা উপহার দিয়ে জয় করে নেন গোটা বাংলাদেশের গণমানুষের হৃদয়। হয়ে উঠেন জননন্দিত এবং জনপ্রিয়। তাঁহার সততা ও আদর্শ, অমায়ীক ব্যবহার, আর সু-কর্মের গুণে আজও কচুয়া উপজেলা গণমানুষের হৃদয়ে সমুজ্জ্বল, প্রিয় নেতা ড: আ ন ম এহসানুল হক মিলন ভাই। আজ পযন্ত কচুয়া উপজেলা বি,এন,পিতে মিলন ভাই এর বিকল্প কেউ হতে পারেনি, ইনশাআল্লাহ সামনেও পারবে না।ধন্যবাদন্তে,মোঃ শাহিন পাটোয়ারী,সাংগঠনিক সম্পাদক,  কচুয়া উপজেলা যুবদল।              


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

শিক্ষাঙ্গন

খেলাধুলা

লাইফস্টাইল

ঘোষনাঃ