কলকাতার মোহরকুঞ্জে শুরু হয়েছে দশ দিনব্যাপী বাংলাদেশ বইমেলা

কলকাতার মোহরকুঞ্জে শুরু হয়েছে দশ দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ বইমেলা’। গতকাল শুক্রবার বিকেলে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পর্দা ওঠে নবমবারের মতো অনুষ্ঠিতব্য এ মেলার। যৌথভাবে আয়োজন করছে বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি। বাংলাদেশের ৮২টি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিচ্ছে মেলায়। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে। শনিবার ও রবিবার খোলা থাকবে দুপুর ২টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত। বইমেলার উন্মুক্ত মঞ্চে থাকছে প্রতিদিনই সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

গতকাল উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সম্মানিত অতিথি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোজাম্মেল আলী, কবি শঙ্খ ঘোষ, লেখক-গবেষক শামসুজ্জামান খান প্রমুখ। কলকাতার উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসানের সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতিরি সভাপতি ফরিদ আহমেদ ও নির্বাহী পরিচালক মনিরুল হক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও আবৃত্তিশিল্পী আহকাম উল্লাহ। উদ্বোধনী আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করেন দিনাত জাহান মুন্নী।‘বাংলাদেশ বইমেলা’ শুরু

এই বইমেলার মধ্য দিয়ে ভারতের বাংলা ভাষার মানুষের কাছে বাংলাদেশের লেখকদের বইয়ের বাজার আরও বিস্তৃত হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বাংলাদেশের লেখকদের বইয়ের প্রতি কলকাতা তথা ভারতবর্ষের বাংলা ভাষার মানুষদের আগ্রহ রয়েছে। কিন্তু সেখানে বাংলাদেশের বই পাওয়াটা ছিল একটু কঠিন। ২০১১ সালে ‘বাংলাদেশ বইমেলা’ শুরুর পর থেকে সেখানে সহজেই বাংলাদেশের বই হাতে পাচ্ছেন কলকাতার পাঠকরা। বাংলাদেশের সাহিত্যকে ছড়িয়ে দিতে এ মেলা বিশেষ ভূমিকা রাখছে।’

মেলায় অংশ নিচ্ছে চেইন বুক শপ বাতিঘর। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার দীপঙ্কর দাশ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বাতিঘর শুধু মেলাকেন্দ্রিক নয়, সারা বছরই নতুন বই প্রকাশ করে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত বইসহ অন্যান্য বই নিয়ে বাতিঘর এবারের বইমেলায় অংশ নিচ্ছে।’


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

শিক্ষাঙ্গন

খেলাধুলা

লাইফস্টাইল

ঘোষনাঃ