একটা ভোরের সূর্য উদয়ের অপেক্ষায় কচুয়ার আপামর জনতা:ইকবাল আজিজ শাহীন

                                                                                                                               একটা ভোরের সূর্য উদয়ের অপেক্ষায় কচুয়ার আপামর জনতা, ড.সেলিম মাহমুদ স্যার কি আদৌ পারবেন এই ভালোবাসার মূল্য দিতে ? নাকি হারিয়ে যাবেন ঘাপটি মেরে থাকা দালাল চক্রের কাছে, লীন হয়ে যাবে কথিত নারী নেএীদের আঁচলের বাঁজে এই কথা গুলো আজ কচুয়ার প্রতিটি আওয়ামী প্রেমি মানুষের মনে বার বার উদিত হয়। আমি জানি না আমার এই লেখায় কারো মনে দুঃখের কারণ হয় কি না। আমি মোটেই জননেতা ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যার কে ছোট করে কিছু বলতে চাই না। এক দিন সময় বিচার করবে অভিভাবক হিসেবে তিনি কতটা সুবিচার করেছেন ? শিশির ভাই হতাশ করেছেন! এমপি স্যারের সামনে রানিং মেটের উপর হাত তুলতে একবার ও ভেবে দেখেনি ! খারাপ বলি আর ভালো বলি কচুয়ার আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সব সিনিয়ররা ইসহাক সিকদারের টাকার কাছে বিক্রি না হয়ে প্রথম বার উপজেলার চেয়ারম্যান বানিয়ে ছিলো, কিন্তু কি করেছেন ৫ বছর পর প্রায় সবাই তাঁর বিরুদ্ধে ? আত্মা সমালোচনা আদৌ করেছেন কি না জানি না ! আজ আবার কচুয়ার আরেক কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড.সেলিম মাহমুদ স্যার, আপনি ও কি আমাদের হতাশ করবেন ? আমি অতি আওয়ামীলীগার সাজতে চাই না। আমি আওয়ামীলীগটা করি মাএ ২ যুগের কিছু সময় বেশি প্রায়, যৌবন শেষের পথে এই আওয়ামীলীগের সাথে। আমার আগ থেকে ও যারা আওয়ামীলীগ করে তাঁদের কে দেখেছি কতটা নিবেদিত প্রাণ হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগটা করে। চোখের সামনে যখন এদের কাউকে কাউকে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের হাতে অপমান হতে, কোন কোন উপরের তলার আদেশে তখন আর ভালো লাগেনি !আমি জানি না আপনি তাঁদের কে কতটা লালন করবেন ?                                                                            

নেতা যদি কর্মীর সাথে মন খুলে কথা ই না বলে তাহলে এই জাতীয় নেতার কাছ থেকে কর্মী কতটা শিখবে আমি জানি না !ছেঁড়া কাপড় মলিন চেহারার লোক গুলো যদি ক্যালিগ্রাপি হয়ে শুধু ই শোভা পায় নেতার ড্রইংরুমে তাহলে আদৌ কি সে নেতা জননেতা হয় ? আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনি ধারণ করবেন কচুয়া কে। আজ যেমন কচুয়ার জনপ্রতিনিধি না হয়ে কচুয়ার মানুষ জনের জন্য হাত প্রসারিত করেছেন এগিয়ে এসেছেন নিজ উদ্যোগে তা আশা করি স্যার অব্যাহত রাখবেন। আমি একজন কর্মী হিসেবে আজ আনন্দ আহ্লাদ ভাসছি আপনার এই মহত্ত্ব দেখে। ক’জনেই জানে বলুন আপনার কারনে যে এানের বরাদ্দ ও কচুয়ায় বেশি পায়। এটা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের আরও একটা মাইল পলক হয়ে থাকবে। যাঁরা এক টানা ক্ষমতায় থেকে ও শুধু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের এান পর্যন্ত সীমিত থেকেছে, তাঁরা কি পারবে যা সম্পদ আহরণ করেছেন তা ভোগ বিলাশে শেষ করে যেতে ? আমরা আমাদের কে নাই বা মূল্যায়ন করলাম !আমরা কর্মীদের ইদ উৎসবে নাই বা খবর নিলাম। নিজেদের পছন্দের দুয়েকজন কে শাড়ী চুড়ি কিনে দিলাম, নিজের স্বার্থের জন্য, সুখ ভোগের আশায় এটাই কি যথেষ্ট ? আমি সহ যাঁরা আছি তাঁরা আজও ভাবি আপনি কি ধারণ করবেন পিতা মুজিবের রেখে যাওয়া অবহেলিত সন্তানের কথা ? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঠিক ই বলেন অভিমানীরা বেইমানি করে না, দূরে থাকে। প্রয়োজনে আবার বুক পেতে দেয় স্বার্থের উর্দ্দে উঠে। আপনার পথ চলা আরও সহজ হোক এটাই কামনা করি ভালো থাকুন, কচুয়ার মানুষের হিতার্থে নিজেকে নিয়োজিত রাখুন এটা ই প্রত্যাশা করি। আমি কোন গ্রুপের না আমি মনে লালন করি আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সামান্য একজন কর্মী। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সকল নেতাই আমার নেতা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সকল কর্মী আমার ভাই।জয় বাংলা ,জয় বঙ্গবন্ধু।ইকবাল আজিজ শাহীন ,সাধারণ সম্পাদক ,কচুয়া পৌর আওয়ামীলীগকচুয়া – চাঁদপুর।                                                                                                                                                                              


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

শিক্ষাঙ্গন

খেলাধুলা

লাইফস্টাইল

  • item-thumbnail

    ৩০০ রোগের সমাধান ১টি গাছেই

    Views 0Likes 0Rating 12345 সজনে গাছ সবার কাছেই খুব পরিচিত। সজনে ডাঁটা, পাতা ও ফুল সবই খাওয়ার উপযোগী। তাছাড়া সজনের আছে নানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সজনের ...

ঘোষনাঃ