আমি আমার ফাঁসি চাই :ইকবাল আজিজ শাহীন

                                                                                                                                                             কচুয়াতে যে দুই জন মানুষের জন্য জননেতা ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যার বেশি কষ্ট পেয়েছে এবং চোখের জল ঝরেছে সেই দুই জন কে আমাদের এমপি স্যার আজকাল মাথায় করে নাচে!!! অযথাই এখন আবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কচুয়ার আরেক কৃতি সন্তান ড.সেলিম মাহমুদ স্যার কে নিয়ে – জননেতা ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যার আর ড.সেলিম মাহমুদ স্যার সম্পর্কটা চাচা-ভাতিজার। আর একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না। জননেতা ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যার কচুয়াতে রাজনীতি করতে গিয়ে তাঁর প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতা আ ন ম এহসানুল হক মিলন ভাইয়ের নামটা পর্যন্ত মুখে আনতে না !!! আজ সম্পর্কটা এতো মধুর এক সাথে বসে কপি খায়, ঢাকা চিটাগাং হাইওয়ে এক্সফিট সিএনজি পাম্প থেকে সরকারি প্রোটোকল দিয়ে কচুয়ায় নিয়ে যায় আ ন ম এহসানুল হক মিলন ভাই কে, অথচ জোট সরকারের সময় এই বিএনপি নেতা যে তান্ডব কচুয়ায় চালিয়ে ছিলো সে সময়ের জন্য এটা ছিলো সবচেয়ে আলোচিত সমালোচিত বিষয়। আওয়ামীলীগের কত নেতাকর্মীরা যে শারীরিক মানসিক ভাবে পঙ্গু হয়েছে !!! দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কেউ জেলে ডান্ডা ভেরি টেনেছে, কেউ বা কোটের বারান্দায় দাঁড়িয়ে দিন শেষ করেছে, মান্নান ভাইয়ের মতো আওয়ামীলীগের কর্মী প্রাণ চিরতরে থামিয়ে দিয়েছে, আওয়ামীলীগের অফিস ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছেন। তাজু কোম্পানির মতো লোকের হাতে হাত কড়া পড়িয়ে জেলে পাঠিয়েছে, ব্যাবসায়িক ভাবে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করেছে ইট ভাটার এই মিলন ভাই। আদৌ কি তাঁর কিছু হয়েছে ??? বরং আমাদের এই মহান নেতা ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যার ঢাকার সিএমএম কোটে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন মাননীয় আদালত (ওরা আমার পায়ুপথে গরম পানির বোতল ঢুকিয়েছে, আমি আমার অন্ডকোষ চেপে ধরে বসে ছিলাম) আজ সে মিলন ভাই কে আমরা কত কদর করি!!! একটা বারের জন্য ও নেতা কর্মীদের কথা ভাবি না।                                                                                                                                                

গো হো সাহেবের কুটিল হিংসুক মনোভাবের জন্য আমাদের এই শ্রদ্ধাভাজন নেতা ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যার অপমানিত হয়ে ফারমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদ ছাড়তে হয়েছে। ধারাবাহিক ভাবে দৈনিক পএিকায় নিজের টাকা খরচ করে এই গো হো সাহেব নিউজ করিয়েছে। মিডিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত লেগেছিল যতক্ষন না আমাদের এই মহা মানব ব্যাংক থেকে বিদায় না নেন। অপমানিত হয়ে বিদায় হওয়ার পর এই মিশন সম্পন্ন করেছেন গো হো সাহেব। তারপরের মিশন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন সেখানে ও এই গো হো সাহেব আমাদের এই অতি ভদ্রলোকের বারোটা বাজিয়েছে !!!! ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যার এই অপমানে যে পরিমাণ চোখের পানি ফেলেছে, তাঁর বড় ছেলে অকাল প্রয়াত শুভ ভাইয়ের মৃত্যুর পর মনে হয় এতো কাঁদেনি !!! সাক্ষী সুলতানা খানম, এড.হেলালরা এখনো মরেনি, সেই গো হো সাহেব কে নিয়ে জামাই আদরে আগলে রেখেছো আমাদের এই নেতা !!!! শুধু কি গো হো সাহেব ব্যাংক থেকে বিদায় করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে ??? কচুয়ার কত ছেলে-মেয়ের পেটে লাথি মেরেছে এই গো হো সাহেব তার হিসাব কয়জন রাখে ?? ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যার ফারমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান থেকে বিদায় হওয়ার সাথে সাথে, কচুয়ার যে সব ছেলে মেয়েরা ফারমার্স ব্যাংকে চাকরি করতো তাদের কে ঘার ধরে ধরে বের করে দিয়েছে, কাউকে একটা বারের জন্য বলার সুযোগ দেয় নাই কি অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে নিগৃহীত হয়ে চাকুরীচুত হচ্ছে !!! যে দুএকজন এখনো ঠিকে আছে তাদের সাথে যে আচরণ করা হচ্ছে। এটা মানবতা বিবর্জিত আচরন যাকে বলে। আর জননেতা ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যার তাঁকে নিয়ে খোশমেজাজে আরামদায়ক গল্পে কপির কাপে চুমুক দেয়। আর গো হো সাহেব এই মহামারীতে পাঁচ কেজি চাল, এক কেজি সয়াবিন তেল, এক কেজি চিনি, এক কেজি ছোলা দিয়ে নিজেকে জন দরদী রুপে কচুয়া দাপিয়ে বেড়ায়, আর আমাদের উপজেলা চেয়ারম্যান শিশির ভাই তা বিলি করে, আর গো হো সাহেব ফোকলা দাঁতে মুচকি হাসে !!! এখন আবার সেমাই চিনি দিয়ে গো হো সাহেব আত্মা মানবতার এক ফেরিওয়ালা হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে, আর আমাদের দলের কিছু নেতাকর্মীদের গলদঘর্ম হচ্ছেন এই মহা মানবতার দূত কে বরন করার জন্য !!! দুঃখ হয় আমাদের মাননীয় এমপি মহোদয় কখনো তাঁর আপনজন চিনতে পারে না !!! বা ইচ্ছে করে উপহাস করে আপনজনের সাথে। যত অখাদ্য কুখাদ্য কে জায়গা দিয়ে, ইচ্ছে করে ভালো মানুষজনদের কে দূরে রাখার কৌশল নিয়ে চলে !!! আর এই জন্য অপমানিত ও কম হতে হয় না !!!                                                                                                                                       

আজ আবার ড.সেলিম মাহমুদ স্যার কে নিয়ে আমাদের এমপি স্যারের অতি উত্সাহী লোকজন নাওয়া খাওয়া ভুলে, এমপি স্যার কে ভুলবাল বুঝিয়ে আবার এমপি স্যার অপমানিত করার শেষ পেরেকঠোকার জন্য মহা আয়োজন করে চলছে, আর আমরা দেখছি ত দেখছি। কর্তার ইচ্ছায় কীর্তন হচ্ছে বাহ দেখতে কি বেশ !!! কিন্তু এই ড.সেলিম মাহমুদ স্যার ত মিলন ভাইয়ের ভুমিকা পালন করে না !!! এই ড.সেলিম মাহমুদ স্যার ত গো হো সাহেবের মতো চোখের পানি ঝরায়নি ??? পারত পক্ষে উপকারের জন্য কাজ করেছেন। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে যদি ড.সেলিম মাহমুদ স্যার, ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যারের পক্ষে কাজ না করতেন। তাহলে কি ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যারের অপমানিত হওয়ার কাজটা আরও তরান্বিত হতো না ??? তাহলে আজকে যাঁরা ড.সেলিম মাহমুদ স্যারের ব্যাপারে উল্টো পাল্টা বুঝনো হচ্ছে আর আমাদের এমপি স্যার ও সায় দেয় এটা কি আদৌ কোন মঙলের কাজ হচ্ছে ??? এটা সময় বলে দেবে। যারা অতি আপনজন হয়ে এতো দিন ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যারকে মাথায় তুলে নাচতো আজ তাদের কেউ কেউ। বাপ দাদা চৌদ্দ পুরুষ সহ উদ্ধার করে। শেষ উদাহরণ হিসেবে বলা চলে মোতালেব ইন্জিনিয়ারের কথা। আমরা শাহীনরা কখনো ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যারের মাথায় উঠে বসি না আবার পায়ের জুতা বগলের তোলায় নিয়ে হাঁটি না। নেতাকে নেতার জায়গায় সম্মানের সঙ্গে লালন করেছি। আজকের এই জায়গায় এসে বলতে পারি যাঁরা অতি উত্সাহী হয়ে ড.সেলিম মাহমুদ স্যার কে নিয়ে, ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যারের কাছে যা খুশি তা করে বেড়াচ্ছেন মনে রাখবেন আমাদের এই নেতা প্রয়োজনে ড.সেলিম মাহমুদ স্যার কে নিয়ে ভোঁ দৌড় দেবে আর আজ যাদের বুক ফাঁটে তাঁরা গাড়ির পেছনে পরে ধুঁ ধুঁ বালু খাওয়া ছাড়া কোন উপায় দেখছি না। কারন মিলন ভাই আর গো হো সাহেবের মধুর মিলন দেখে এটাই মনে হয় !!! আর আমার শিশির ভাইয়ের এই জাতীয় ঝামেলা যতই লাগবে ততই ভালো হবে। বুঝলে ভালো না বুঝলে আরও ভালো। বেঁচে থাকলে দেখা হবে বন্ধুরা পাটির কোন প্রোগ্রামে বা রাজপথের কোন সংগ্রামে বা জয় বাংলার মিছিলে।জয় বাংলা ,জয় বঙ্গবন্ধু।ইকবাল আজিজ শাহীন ,সাধারণ সম্পাদক ,কচুয়া পৌর আওয়ামীলীগ,কচুয়া – চাঁদপর।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

শিক্ষাঙ্গন

খেলাধুলা

লাইফস্টাইল

ঘোষনাঃ